ভিন্ন রকম ঈদ ॥ মুহাম্মদ ইলিয়াছ

0
75
views

দ্বীপ হাতিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বুড়ির চরের রেহানিয়া মাদরাসা মসজিদ থেকে আরম্ভ করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম পর্যন্ত অনেক মসজিদে জীবনে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। কম করে হলেও যেসব মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছি, এসবের নাম জানা ছিল আমার।

কিন্তু এবার যে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছি, সেটির নাম জানা হয়নি। নতুন এ মসজিদটিতে ঈদের নামাজ আদায়ের কোনো ইচ্ছা ছাড়াই ঈদগাহের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম। অগ্রজ সানা উল্লাহ বি.কমই আমাকে ওখানে যেতে উৎসাহিত করেছেন। তাও ঈদগাহের পথে দেখা হওয়ার পরে।

এ যাবৎ ঈদের জামাতগুলোতে প্রায় সময়ই আমি আলোচক থেকেছি। আজও মনে পড়ে, ১৯৯৩ সালে প্রথম আমি ঈদ জামাতে আলোচনা করেছিলাম। বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে ইঙ্গ-মার্কিন অপশক্তির পরিচালিত নির্মম নির্যাতন বিষয়ে আমার বক্তব্য বোদ্ধামহলে সেদিন বিপুলভাবে সমাদৃত হয়েছিল। আজ আলোচক নয়, শ্রোতা হতে পারতাম। কিন্তু বিলম্বিত উপস্থিতির কারণে তাও হতে পারিনি।

ইমাম সাহেব সুন্দর-সুদ্ধ তেলাওয়াত করেছেন নামাজে। দারাজ কণ্ঠে নামাজ শেষে মুনাজাত করেছেন, ভালো লেগেছে। অতিরিক্ত ছয় তাকবিরের সঙ্গে নামাজ শেষে ঈদুল ফিতরে সহজ-সরল মাওলানা ইমাম সাহেব দেখে দেখে খুতবা পাঠ করলেন ঈদুল আজহার। বিধান অনুযায়ী সুদ্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে তাকে ইচ্ছে করেই খুতবার সময় থামিয়ে দেইনি। জানি না, এ মাওলানা পরবর্তী সময়ে বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেছেন কি না।

এ সবই ছিল আজকের ভিন্ন রকম ঈদের সংক্ষিপ্ত উপস্থাপন। মসজিদটি মোহাম্মদপুর চৌরাস্তা বাজার থেকে সামান্য পূর্বদিকে রাস্তার উত্তর পাশে অবস্থিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here